
Samuel Taylor Coleridge | |
| জীবনকাল | Birth: 1772 Death: 1834 |
| পরিচিতি | |
| বিখ্যাত গ্রন্থ |
|
| Important Quotations |
|
Brief History :
He was an English poet, literary critic and philosopher who, with his friend William Wordsworth, was a founder of the Romantic Movement in England and a member of the Lake Poets.
স্যামুয়েল টেইলর কোলরিজ তার দুটি দীর্ঘ কবিতা "The Rime of the Ancient Mariner" (দ্যা রাইম অব দ্যা এনসিয়েন্ট মেরিনার- এবং "Christabel" (ক্রিসটাবেল-এর জন্য বিখ্যাত। "The Rime of the Ancient Mariner" এটি প্রথম প্রকাশিত হয় "Lyrical Ballads" এ। এখানে কবি বর্ণনা করেছেন একজন নাবিকের নৌপথে ঘরে ফেরার পথে তার দুর্ভোগের কথা যখন সে আলব্রাটস নামে একটি পাখিকে অনর্থকভাবে মেরেছিল।
গুরুত্বপূর্ণ তথ্য :
i. Coleridge হলেন Romantic যুগের অন্যতম আর একজন শক্তিমান লেকক/কবি।
ii. He is called Opium Eater
iii. Coleridge কে এছাড়াও বলা হয়- The poet of Supernaturalism হিসেবে।
iv. Coleridge এবং Wordsworth যৌথভাবে Lyrical Ballads প্রকাশ করেন।
v. Coleridge এর সাহিত্য সমালোচনামূলক গ্রন্থ- Biographia Literaria. {"ব্রায়োগ্রাফিয়া লিটারারিয়া” তাঁর আত্মজীবনী নয়। এটি হল সাহিত্যের জীবনচরিত। এতে চব্বিশটি পরিচ্ছেদ আছে। তার মধ্যে তেরটি পরিচ্ছেদে তিনি কেবল দার্শনিকতা করেছেন। চৌদ্দ পরিচ্ছেদে “লিরিক্যাল ব্যালাড”-এর সূচনার বর্ণনা দিয়েছেন, পনের পরিচ্ছেদে শেক্সপীয়ারের নাটকের কাব্যশক্তির লক্ষণ সম্বন্ধে আলোচনা করেছেন, ষোল পরিচ্ছেদে বর্তমানকালের সঙ্গে পঞ্চদশ ও ষোড়শ শতাব্দীর সাহিত্যের পার্থক্য নিয়ে আলোচনা করেছেন, শেষের সাতটি পরিচ্ছেদগুলোতে সমালোচনার প্রদীপ্ত স্বাক্ষর রেখেছেন। যে দার্শনিক চিত্মার উপর ভিত্তি করে তিনি সাহিত্যতত্ত্বের আলোচনা করেছেন তা হল প্রধানত জার্মান দার্শনিক কান্টের দার্শনিক তত্ত্ব। কান্ট মনে করেন, "Subjectivity is aesthetic quality" অর্থাৎ আত্মগতভাব হলো শিল্পের প্রধান গুণ।}
vi. তিনি হলেন Wordsworth এর (Collaborator) সহযোগী।
vii. Coleridge একজন Romantic Poet এবং Lake District poet হিসেবে পরিচিত।
viii. Coleridge Composed (রচনা করা) his poems mainly on supernaturalism.
ix. তিনি নিযুক্ত হয়েছিলেন- Public Secretary of Malta হিসেবে।
x. Coleridge-Zapolya নাটকটি রচনা করেন Shakespeare এর Winter's Tale নাটকের অনুকরণে।
xi. Coleridge এর বিখ্যাত কবিতাগুলো হলো "The Rime of the Ancient Mariner", "Christabel", Kubla Khan"
xii) তিনি হলেন Wordsworth এর (Collaborator) সহযোগী।
xiii) Biographia Literaria বইয়ের বিখ্যাত দুটি লাইন হলো:
(ix) Imagination is the soul of poetic genious.
(x) Poetry is the first and last of all knowledge - it is as immortal as the heart of man.
His well-known works :
- The Rime of Ancient Mariner (এই কবিতায় Albatross পাখির কথা আছে।)
- Kubla Khan (A Romantic poem; স্বপ্নে পাওয়া অসম্পূর্ণ কবিতা। আফিম খেয়ে ঘুমানোর পর তিনি একটি স্বপ্ন দেখেন।)
- Fears in Solitude
- Dejection: An Ode
- The Nightingale: A Conversation Poem
- Biographia Literaria (Literary criticism)
- যে সব কবিতার মধ্যে শিশুর উলঙ্গ উদার দৃষ্টির প্রকাশ ঘটেছে সেগুলি হল, "দি ডে ড্রিম" (The Day Dream). "দি ডেভিলস থট" (The Devil's Though). "দি সুইসাইড আরগুমেন্ট" (The Suicide Arguments). "দি ওয়ান্ডারিংস অব কেইন” (The Wanderings of Cain). "যদি রিলিজিয়স মিউজিংস” (The Religious Musings.) "দি ডেসটিনি অফ নেশনস্" (The Destiny of Nations). এবং “ওড্ টু ডিপারটিং ইয়ারস" (Ode to Departing Years).
ST Coleridge এর কবিতা মনে রাখার কৌশল: ABCD
A = Ancient Mariner [এই কবিতায় একটি পাখির কথা বলা হয়েছে যার নাম Albatross]
B = Biographia Literaria (criticism)
C = Christabel (ক্রিস্টাবেল) (১৭৯৭ সালে কোলরীজ "ক্রিষ্টাবেল" কবিতাটির প্রথমাংশ রচনা করেন। দ্বিতীয়াংশটি ১৮০০ সালে রচনা করেন। কবিতাটিকে কবি পূর্ণাঙ্গ রূপ দিতে পারেননি। অসম্পূর্ণ রয়ে গেল।)
= Kubla Khan (১৭৯৮ সালে রচিত "কুবলাখান” কবিতাটিও অসম্পূর্ণ থেকে গেছে।)
D = Dejection: An Ode
S.T. Coleridge এর কিছু Quotations:
- Alone, alone, all, all alone Alone on a wide, wide sea. (একা, একাকী পুরো সীমাহীন একা, একা এই সীমাহীন সমুদ্রে।) (The Rime of The Ancient Mariner)
- Water, water, everywhere Nor any drop to drink. (পানি, পানি, সবখানে শুধু পানি, পান করবার নেই এক ফোঁটা পানি।) (The Rime of The Ancient Mariner)
"The speaker, a sailor on a becalmed ship, is surrounded by salt water that he cannot drink. Note: By extension, these lines are used to describe a situation in which someone is in the midst of plenty but can-not partake of it. (The Rime of The Ancient Mariner) - He prayeth best, who loveth best
All things both great and small. (শ্রেষ্ঠ প্রার্থনা তার, ভালোবাসে যে, ছোট বড় সমত্ম কিছুকে; জীবে প্রেম করে যেই জন, সেইজন সেবিছে ঈশ্বর) (The Rime of The Ancient Mariner) (ক্ষুদ্র বৃহৎ সব কিছুই তো ঈশ্বরের ভালবাসা। মানুষের হৃদয়ে এই ভালবাসা আছে বলেই মানুষ সকল রকম অশুভ শক্তির হাত থেকে মুক্তি পায়। যেমন ক্রিষ্টা বেল পেয়েছে অশুভ শক্তির প্রতীক জিরালডাইনের হাত থেকে মুক্তি।)
S.T. Coleridge- এর বিখ্যাত গ্রন্থ The Rime of the Ancient Mariner- এর সার সংক্ষেপ:
প্রাচীন নাবিক/ Ancient Mariner বিবাহ অনুষ্ঠানের তিনজন অতিথির একজনকে থামান এবং নিজের গল্প বলা শুরু করেন। একদিন তিনি অন্যান্য নাবিকদের সাথে দক্ষিণ অভিমুখে সমুদ্র যাত্রা শুরু করেন। আবহাওয়া শান্তই ছিল। এক পর্যায়ে তাদের জাহাজ কুয়াশাবৃত বরফের রাজ্যে পৌছায়। আবহাওয়া তখন খারাপ হয়ে যায়। একটি আলবাট্রোস পাখি তাদের জাহাজ বরাবর উড়ে আসল এবং শীঘ্রই আবহাওয়া অনুকূলে পরিণত হলো। তারা সবাই আলবাট্রোসের প্রশংসা করল। কিন্তু Ancient Mariner অযথাই ধনুক নিয়ে পাখিটিকে হত্যা করলে আবহাওয়া পুনরায় খারাপ হলো। নাবিকেরা এজন্য Ancient Mariner কে দোষ দিল এবং মৃত Albatross কে তার গলায় ঝুলিয়ে দিল। বাতাস থেমে গেল; সমুদ্রের পানি পঁচে গেল। অবাঞ্চিত প্রাণিরা চারপাশে কিলবিল করতে লাগলো। Ancient Mariner ছাড়া সকল নাবিক তৃষ্ণায় মারা গেল। তিনি তার অপরাধের জন্য অনুশোচনা করলে তার ঘাড় থেকে মৃত Albatross পড়ে গেল এবং বৃষ্টি শুরু হলো। এক সময় Ancient Mariner তার দেশের নৌ-বন্দর দেখতে পেলেন, তিনি মুক্তি অনুভব করলেন। কিন্তু হঠাৎ করে প্রচণ্ড শব্দ করে জাহাজটি তলিয়ে গেল। তবে ভাগ্যক্রমে তিনি বেঁচে যান।
Kabla khan : কবি স্যমুয়েল টেলর কোলরিজের বিখ্যাত কবিতা Kabla khan সম্পর্কে একটি কথা প্রচলিত আছে যে, কবি Purchas's Pilgrimage নামক একটি গ্রন্থ পাঠ করতে করতে ঘুমিয়ে পড়েন আর ঘুমের মধ্যে স্বপ্নে তাঁর এই কবিতার বিষয়বস্তুটি লাভ করেন।
কোলরিজের এই কবিতাটি নানা দিক হতে বিশেষভাবে গুরুত্বপূর্ণ। কবি এখানে মধ্যযুগীয় একজন ক্ষমতাবান মোঙ্গল শাসকের ইচ্ছের কথা, আকাঙ্ক্ষার বিষয় এবং তাঁর নির্দেশিত প্রমোদ প্রসাদের মনোজ্ঞ বর্ণনা প্রদান করেছেন।
মোঙ্গল নৃপতি কুবলা খান যে স্থানে প্রসাদ নির্মাণের জন্য নির্দেশ প্রদান করেন সে স্থানটির নাম জানাডু। নির্দেশিত প্রসাদ পরিকল্পনা যেন অসাধারণ মঙ্গোলিয়ার অভ্যন্তরে পাহাড়ি অরণ্য ঘেরা, ঝর্ণা ধারা শোভিত একটি স্থান। কবির বর্ণনায় কুবলা খানের নির্দেশিত প্রসাদ পরিকল্পনা যেন অসাধারণ মহিমায় মূর্ত হয়ে উঠেছে। দশ মাইল উর্বর জমি বেছে নেওয়ার নির্দেশ দিলেন কুবলা খান, নিচ দিকে গুহা কেটে তৈরি করা হবে এ ঝর্ণা, যা সাধারণ মানুষ অনুমান করতে সমর্থ হবে না। এই ঝর্ণা ধারার পানি শেষে গিয়ে পতিত হবে অন্ধকার দূর সমুদ্রে। প্রমোদ প্রাসাদটির চারপাশে দেয়াল দ্বারা ঘেরা থাকবে, আরও থাকবে চারপাশ ঘিরে সুগন্ধি পুষ্পরাজির বাগিচা, থাকবে দেবদারু বৃক্ষের ছাওয়া পাহাড়ি ঢালু পথে নেমে আসা পাহাড়ি ঝর্ণা। ক্ষীণ চাঁদের আলোর সেখানে দত্যি প্রেমে মত্ত রমণী কেঁদে কেঁদে ফিরে তাঁর দানব প্রেমিকার তরে, কবির দৃষ্টিতে স্থানটি একসাথে পরম রমণীয় আর ভয়ঙ্কর। সুগন্ধি পুষ্প বৃক্ষের শোভিত বিশাল বিশাল বাগিচা এর শোভা বহন করবে। কবি আরো বর্ণনা করেন, সেই পাহাড়ি ঝর্ণায় প্রচণ্ড বেগে বয়ে চলছে জলধারা। প্রচণ্ড শব্দে উৎক্ষিপ্ত করছে পাথরের টুকরাগুলোকে। এটা মানে কবির মনে হয় পৃথিবীটা যেন শ্বাস নিচ্ছে জোরে জোরে। যে ঝর্ণাধারা গভীর খাদের নিচ দিয়ে গোপনে অন্ধকার সমুদ্রে পড়ছে সেই পথে সম্রাট কুবলা খান শুনতে পান তাঁর পিতৃপুরুষের কণ্ঠস্বর, যাতে তিনি শুনতে পান যুদ্ধের ভবিষ্যত বাণী, এগিয়ে আসছে যুদ্ধ আর সংঘাত। কুবলা খানের প্রমোদ ভবনে ছায়া এসে পড়ে নদীর উপরে যে নদী তীরে খাড়া পাহাড়, যে পাহাড়ে এসে লাগছে ঢেউয়ের আঘাত, আর নদীর জলের সে ঝাপটা কানে বাজে সুমধুর এক সঙ্গীতের সুর। কবি দেখেছেন কুবলা খানের প্রসাদে বাদ্যযন্ত্র হাতে সুদূর আফ্রিকা অঞ্চলের আবিসিনিয়ান এক রমণী গান গাইছে। তার কন্ঠে ধ্বনিত হচ্ছে তারই অঞ্চলের পার্বত্য সঙ্গীত। কবি বলেন, সেই সঙ্গীত সুধা ফের যদি তিনি নিজের মাঝে জাগাতে পারতেন কিংবা যদি স্বপ্নে দর্শন করা এমন একটি প্রসাদ নির্মাণ করতে পারতেন।
কবি এখানে স্বপ্নে দর্শন করা কুবলা খানের প্রসাদটিকে পাঠকদের সামনে অসাধারণ মহিমায় মূর্ত করে তুলেছেন।
Read more